রানীগঞ্জে মাড়োয়াড়িদের শ্মশান আলাদা, প্রবেশ নিষেধ বাঙালি বা বিহারীদের, ক্ষোভে ফুঁসছে সকলে - Banglar Chokh | True News for All

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, June 19, 2019

রানীগঞ্জে মাড়োয়াড়িদের শ্মশান আলাদা, প্রবেশ নিষেধ বাঙালি বা বিহারীদের, ক্ষোভে ফুঁসছে সকলে

ধর্মে সকলে হিন্দু। কিন্তু শ্মশানঘাট আলাদা, এক জাতির শ্মশানে অন্যের প্রবেশ নিষেধ। এমনটাই দেখা যাচ্ছে রানীগঞ্জে।


মাড়োয়াড়িদের কাছে অচ্ছুৎ বাঙালি হিন্দু কিমবা বিহারীরা। তাই মাড়োয়াড়ি সমাজের শ্মশানঘাট আলাদা, সেখানে বন্দোবস্তও উন্নত মানের।
      (মাড়োয়াড়িদের মৃহদেহ দাহ করার জায়গা)

সামনেই বড় সাইনবোর্ড, মাড়োয়াড়ি সমাজের শ্মশান। পোড়ানোর কাঠ রাখার জায়গা আছে, যেটা স্টোররুম।
            (স্টোর রুম, কাঠ রাখার জায়গা)

অন্যদিকে বর্ষাকাল ছাড়া বাকিটা সময় নদীর চড়েই মৃতদেহ পোড়ায় বাঙালি বা বিহারী হিন্দুরা। খোলা জায়গাতেই হয় সৎকার।
     (সারাবছর বাঙালি ও বিহারী হিন্দুরা যেখানে পোড়ায়)

বর্ষাকালে দাহ করার জন্য একটা জায়গায় নামমাত্র ছাউনি আছে।
     (বৃষ্টির সময় বাঙালি ও বিহারী হিন্দুদের দাহ করার জায়গা)

এই বৈষম্য কেন? উঠছে প্রশ্ন। এলাকার বাঙালিরা এমনকি বিহারী হিন্দুরাও ক্ষোভে ফুঁসছে। সবাই তো হিন্দু, তাহলে মাড়োয়াড়িদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা কেন? বাকিরা এতটাই অচ্ছুৎ?

সকলে হিন্দু হলেও, মাড়োয়াড়িরা বড় হিন্দু? এমনটাই প্রশ্ন সকলের।

শোনা যাচ্ছে, এলাকার বাঙালিরা আসানসোল দুর্গাপুর ডেভলপমেন্ট অথরিটির দারস্থ হতে চলেছে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad