অসমে ডিটেনশন ক্যাম্পে ফের মৃত্যু হল ১৯৬১ সাল থেকে ভোটার হওয়া বাঙালি বৃদ্ধ অমৃত দাসের - Banglar Chokh | True News for All

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Monday, April 8, 2019

অসমে ডিটেনশন ক্যাম্পে ফের মৃত্যু হল ১৯৬১ সাল থেকে ভোটার হওয়া বাঙালি বৃদ্ধ অমৃত দাসের

















বিজেপি শাসনাধীন আসামে আবার এনআরসিকে কেন্দ্র করে বাঙালির মৃত্যু। এই নিয়ে বাঙালি মৃত্যু প্রায় ৪৫ এর কাছাকাছি দাঁড়াল। গোয়ালপাড়া ডিটেনশন শিবিরে  অমৃত দাসের মৃত্যুতে বড়সড় চাপে পড়ল বিজেপি সরকার।  অভিযোগ, ভোটার তালিকায় নাম, সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও বরপেটা রোডের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অমৃত দাসকে ২০১৭ সালে বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল। সে বছর ২০ মে থেকে তিনি গোয়ালপাড়া ডিটেনশন শিবিরে বন্দি ছিলেন।

অমৃতবাবুর ছেলে কৃষ্ণ দাসের দাবি, “১৯৬১-র ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে শেষ ভোটার তালিকায় বাবার নাম ছিল। বাবা, মা মোহনমালা দাস, আমরা দুই ভাই এত বছর ভোট দিচ্ছি। কিন্তু হঠাৎ করেই বাবার নামে নোটিস পাঠায় পুলিশ। ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল কারণ ছাড়াই বাবাকে বিদেশি বলে চিহ্নিত করে দেয়। ফলে আমাদের কারও নাম এনআরসি-র খসড়াতেও ওঠেনি। আমরা হাইকোর্টে মামলা চালাচ্ছিলাম। তার আগেই বাবা চলে গেল।” ছেলের দাবি, বিনা চিকিৎসায় বাবার মৃত্যু হয়েছে।

বিভিন্ন সংগঠন ঘটনার তীব্র নিন্দা করে পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। বরপেটায় ভারতীয় গণ পরিষদের প্রার্থী শান্তনু মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরে সরকার সন্দেহজনক বিদেশি চিহ্নিত করার নামে বাঙালিদের কারাবন্দি করে অত্যাচার চালাচ্ছে। অমৃতবাবুর মৃত্যুর দায় অসম সরকারকেই নিতে হবে।’’

রাজ্য সরকার বিদেশি শনাক্তকরণ, বিতাড়ণে পর্যাপ্ত আন্তরিকতা না দেখানোয়, অনির্দিষ্টকাল মানুষকে ডিটেনশন শিবিরে বন্দি রাখায় ও বন্দিদের পর্যন্ত সুযোগসুবিধা না দেওয়ায় রাজ্য সরকারের নিন্দা করেছে আদালত। 

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad