ব্রিগেডের ২৩ দলের মিলিত সমাবেশে প্রবল উদ্বেগে মোদি! - Banglar Chokh | True News for All

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Sunday, January 20, 2019

ব্রিগেডের ২৩ দলের মিলিত সমাবেশে প্রবল উদ্বেগে মোদি!


তেইশ কণ্ঠের এক সুর চব্বিশ ঘণ্টা পরেও স্বস্তিতে রাখেনি নরেন্দ্র মোদীকে। 
ব্রিগেডে তেইশ দলের যৌথসভা দেখে কাল থেকেই মোদী এমন ভাব দেখাচ্ছেন যে, বিরোধী জোট ভোটে কোনও আঁচড়ই কাটতে পারবে না। কিন্তু চব্বিশ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সেই জোটের চাপকে উপেক্ষা করতে পারছেন না তিনি। শুধু নিজে নয়, তোপ দাগার কাজে গোটা দলকেই নামিয়ে দিয়েছেন।
মোদী কাল বলেছিলেন, বিরোধীরা নিজেদের বাঁচাতে একজোট হচ্ছে আর ‘বাঁচাও’ বাঁচাও’ আর্তনাদ করছে। রাহুল আজ টুইট করে কটাক্ষ করলেন, ‘‘ইওর হাইনেস, সাহায্যের এই আর্তনাদ দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক, দুর্দশায় থাকা কৃষক, অবদমিত দলিত-আদিবাসী, নিগৃহীত সংখ্যালঘু, বিপর্যস্ত ছোট ব্যবসায়ীদের। তাঁরা আপনার স্বৈরতন্ত্র ও অযোগ্যতা থেকে মুক্তির ভিক্ষা চাইছেন। আর একশো দিনে তাঁরা মুক্ত হবেন।’’ 




কড়া জবাব দিয়েছে তৃণমূলও। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘তৃণমূল নেত্রীর ডাকে ব্রিগেড সমাবেশে এক সঙ্গে সব দলকে দেখে প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। তাই আতঙ্কে, হতাশায় নানা আক্রমণ করছেন।’’ পার্থবাবু আরও বলেন, ‘‘ত্রিপুরায় তো বিজেপি পঞ্চায়েত উপনির্বাচনে ৯৬% আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করেছে! সেখানে গণতন্ত্র আছে, আর এখানে নেই?’’ 

আর এক বিরোধী নেতা ওমর আবদুল্লা বললেন, ‘‘২৪ ঘণ্টা পরেও প্রধানমন্ত্রী এখনও ব্রিগেডের ভারত-বন্ধনের কথা বলছেন! আমি তো বিস্মিত। আমি তো ভেবেছিলাম, মমতাদিদির উদ্যোগে শক্তিপ্রদর্শনকে তিনি ভুলিয়ে দিতে চাইবেন।’’ 

ঘরোয়া মহলে বিজেপি নেতারা স্বীকার করছেন, ব্রিগেডের সভাকে উপেক্ষা করা যেতেই পারত। কিন্তু যে ভাবে বিরোধীদের জোট দানা বাঁধছে, তাতে কর্মীদের মনেও ভয় ঢুকছে। ফলে নেতৃত্ব কী করে চুপ থাকতে পারেন? তাই শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, দলের সব নেতাকেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জোটকে নিশানা করতে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad