ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বাংলার পড়ুয়াদের জন্য আসন সংরক্ষণের ভাবনা যাদবপুরের - Banglar Chokh | True News for All

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, December 19, 2018

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বাংলার পড়ুয়াদের জন্য আসন সংরক্ষণের ভাবনা যাদবপুরের


এবার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তির ক্ষেত্রে বাংলার ছাত্র ছাত্রীদের অগ্রাধিকার দিতে নয়া ডোমিসাইল কোটার বিধি আনতে পারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
এবছর এই বিধি আনার প্রধান কারণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় তরফে যেটিকে দেখানো হচ্ছে তা হল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলিতে বাংলার ছাত্র-ছাত্রীদের তুলনায় বহিরাগত ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যার অত্যধিক বৃদ্ধিকেই।

বিগত কয়েক বছর ধরে ভিন রাজ্যের পড়ুয়াদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে বাড়তে এমন পরিস্থিতি পৌঁছেছে যে চলতি বছরে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ১৬ টি বিভাগের মধ্যে ১১ টি বিভাগেই বহিরাগত পড়ুয়ার সংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি। কোন কোন বিভাগে ভর্তির হার আবার ৭০-৮০  শতাংশ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়-- এবছর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৭১ টি আসনের মধ্যে ৫১ টি আসনেই ভিন রাজ্যের পড়ুয়ারা ভর্তি হয়েছে আবার ফার্মাসিতে ৪১ টি আসনের মধ্যে ২৪ টি তে এবং ফুড টেকনোলজি তে ২১ টির মধ্যে ১৩ টি আসনেই ভর্তি হয়েছে ভিন রাজ্যের পড়ুয়ারা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কাছ থেকে সাত দিনের মধ্যে এবিষয়ে মতামত জানতে চেয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এ বিষয়ে বলেন--"তামিলনাড়ুর আন্না বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হয়েও ৯০ শতাংশ আসন তামিলনাড়ু রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য সংরক্ষিত করেছে। তাহলে আমরা পারবো না কেন?"

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অধ্যাপকের কথায়--"ভারতের একাধিক রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য আসন সংরক্ষিত করা আছে। এই রাজ্যের রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বাংলার মানুষের করের টাকায় চলে। এটা খুবই স্বাভাবিক যে তাতে বাংলার পড়ুয়ারা অগ্রাধিকার পাবে। অন্য রাজ্যগুলি নিজেদের আখের গুছিয়ে নেয়, আমরা আর কতদিন উদার হয়ে থাকবো ?" তিনি আরো বলেন, "অনেকে যুক্তি দেন,বাংলার পড়ুয়ারা মেধায় পিছিয়ে পড়ছে বলে এই দশা। তা কখনোই নয়। আসলে বাংলার পড়ুয়াদের আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই বলেই তাদের সুযোগের পরিসরটা ক্রমশ কমছে।"


No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad