বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ত্রিপুরা হয়ে উঠেছে বাঙালি মেয়েদের ধর্ষণের স্বর্গরাজ্য - Banglar Chokh | True News for All

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Friday, November 30, 2018

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ত্রিপুরা হয়ে উঠেছে বাঙালি মেয়েদের ধর্ষণের স্বর্গরাজ্য

ত্রিপুরায় বামফ্রন্ট সরকারের পতনের পর সেখানকার অনেক মানুষ ভেবেছিলেন যে বিজেপি আনবে ব্যাপক চাকরির সম্ভাবনা। কিন্তু সে যত দিন যাচ্ছে, বোঝা যাচ্ছে যে বাঙালিদের জন্য চাকরির কোন ব্যবস্থাই ত্রিপুরার বিজেপি সরকার করছে না। তার জায়গায় যেটা হচ্ছে সেটা হল বিশেষ কিছু কেন্দ্রীয় সরকারী চাকরি সৃষ্টি করে সেখানে দলে দলে বিহার ও ইউপি থেকে লোক আনিয়ে নিয়োগ। এর ফলে আসছে বিহার ইউপির ঠিকাদার। তারা সাথে আনছে সেখনাকারই লেবার। এ সব মিলিয়ে ফল হয়েছে মারাত্মক। যে ত্রিপুরাতে বাম আমলে ধর্ষণের সংখ্যা ছিল খুব কম, এবং দিনে রাতে সেখানে বাঙালি মেয়েরা ধর্ষিত হচ্ছেন। ত্রিপুরার বাঙালি সমাজ ক্ষোভে ফুঁসছে।


 বাম জমানায় বছরে গড়ে ১৭টা ধর্ষণ হয়েছে। কিন্তু বিজেপির প্রথম ৫ মাসে সেই সংখ্যাই গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫তে! অর্থাৎ মাসে ১৯! এবং সেই ধর্ষণের অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিকার নিরীহ বাঙালি মেয়েরা। ত্রিপুরা বিজেপির হিন্দিভাষী কার্যকর্তারা অবশ্য এসব মানতে নারাজ। তারা বলছেন যে হিন্দিভাষীরা ইউপি-বিহার থেকে এসে ধর্ষণ করছে, এর প্রমাণ কোথায়? এ ছাড়াও ইউপি-বিহারে মেয়েরা অনেক শালীনভাবে, সংস্কৃতি মেনে চলাফেরা করে, এটাও বলা হয় বিজেপির তরফ থেকে।   এর উত্তরে মানবাধিকার কর্মী ও নারী অধিকার সমিতির নেত্রী ঊর্মিমালা দে বলেন, "বিজেপি কি বলতে চাইছে বাঙালি মেয়েরা অশ্লীল? কেসগুলির অভিযুক্তদের নামের তালিকা দেখলেই বোঝা যাবে বিজেপি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে"। বিজেপির তরফ থেকে এই নিয়ে উত্তর যে অভিযুক্ত মানেই সে দোষী না। দোষী কি তাহলে বাঙালি মেয়েরা? এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর "বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও" এর নমুনা? এটাই আজকে প্রশ্ন ত্রিপুরার বাঙালিদের।     
        

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad